সুমিত ঘোষ
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্ষুদ্র ও মাঝারী এবং বস্ত্র শিল্প দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এ রাজ্যে ১৮,৫০০টা হোসিয়ারি ইউনিট রয়েছে [১]। আমাদের রাজ্যে বড় হোসিয়ারি ইউনিটগুলো ছোট ইউনিটগুলোকে কিছু কাজের বরাত দেয়। তখন ছোট ইউনিটগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পিস প্রতি মজুরীর ভিত্তিতে শ্রমিক নিয়োগ করে [২]। কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সহস্রাধিক শ্রমিক হোসিয়ারি শিল্পে কাজ করেন [৩]। এছাড়া হোসিয়ারি ইউনিট রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলী, নদীয়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে [৪]। হোসিয়ারি শিল্পের মালিকদের মধ্যে রয়েছে অশোক টোডি, কে.বি. অগ্রবাল, সঞ্জয় কুমার জৈন, আলমগীর ফকির প্রমুখ [৫]। শ্রমিক সংগঠনগুলোর অধিকার আন্দোলন থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে এবং শ্রমিকদের উপর অবারিত শোষণের পথ প্রশস্ত রাখতে মালিক পক্ষ কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সরে এসে শহরের বিভিন্ন পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ছোট ছোট ইউনিট খুলেছে। এই সব জায়গায় এবং রাজ্যের অন্যত্র ছড়িয়ে থাকা অনেক বড় উৎপাদন ক্ষেত্রগুলোতেও শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন নেই। ফলে এখানে শ্রমিকদের দুরাবস্থার কথা বলাই বাহুল্য। কলকাতা শহর জুড়ে প্রায় ২১টা ছোট আকারের ইউনিট চালু রেখেছে রূপা, লাক্স, ডলার এবং বঙ্গলক্ষ্মীর মত কম্পানীগুলো। ছোট ছোট ইউনিট খোলার প্রধান উদ্দেশ্য ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া [৪]। উল্লেখ্য, এই রাজ্যের দীর্ঘ ও গৌরবময় শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাস থাকলেও বর্তমানে হোসিয়ারি শিল্পে রাজ্যের কয়েকটি অঞ্চলে মাত্র ১০% শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের সাথে যুক্ত রয়েছে।
এই রাজ্যে হোসিয়ারি শিল্পের শ্রমিকদের আন্দোলনের গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। ১৯৭৬ সালের ন্যূনতম মজুরী নোটিফিকেশান বাস্তবায়িত করার দাবীতে ১৯৭৮ সালে হোসিয়ারি শ্রমিকরা ধর্মঘট করেছিলেন। এরপর মজুরী বৃদ্ধির দাবীতে ১৯৮৪ সালে ১৪৪ দিন ধরে ধর্মঘট করেন তাঁরা। এর ফলে মাসিক ৩১.৭০ টাকা মজুরী বৃদ্ধি হয় [৬]। ১৯৯৮ সালে মজুরী সংশোধন হয়েছিল। ওই বছর শ্রম দপ্তরে স্বাক্ষরিত সরকার-মালিক-শ্রমিক ত্রিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে ন্যূনতম মজুরী, ডি.এ., পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা হলেও বেশীরভাগ কারখানাতেই শ্রমিকরা তাঁদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিতই থেকে যান। এমতাবস্থায় আইনত মালিকদের জরিমানা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তার কিছুই হয়নি [৩]। বিদায়ী সরকার ২০১০ সালে হোসিয়ারি শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধির নোটিফিকেশান জারী করলেও টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা বলবত হতে বিলম্ব হয়। ২০১২ সালে নতুন রাজ্য সরকার সেই নোটিফিকেশান কার্যকর করে ঠিকই কিন্তু তার পর থেকে তারা ন্যূনতম মজুরীর ‘বেসিক পে’ আর বাড়ায়নি। শুধুমাত্র ‘কস্ট অফ লিভিং অ্যালাওয়েন্স’ কালেভদ্রে বারিয়ে তারা শ্রমিকদের ক্ষোভ এড়াতে চেয়েছে। অর্থাৎ এই রাজ্যে ৫ বছর অন্তর ন্যূনতম মজুরী সংশোধনের নিয়ম কোনও সরকারের আমলেই ঠিকমত মানা হয়নি।
নদীয়া জেলার সুতাকল শ্রমিকদের অবস্থা খুবই শোচনীয়। এখানে অস্থায়ী শ্রমিকদের সংখ্যাই বেশি। একই কাজে স্থায়ী শ্রমিকরা অস্থায়ী শ্রমিকদের থেকে ৪ গুণ বেশি মজুরী পান [৩]। পূর্ব মেদিনীপুরে পাঁশকুড়া, কোলাঘাট, শহীদ মাতঙ্গিনী, নন্দকুমার ব্লক সহ অন্যান্য এলাকায় প্রায় ২০০০ হোসিয়ারি কারখানায় ২৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত এবং তাঁদের একটা বড় অংশ মহিলা। প্রত্যেক বছর হোসিয়ারি সংস্থাগুলো দুর্গোৎসবের মাসে ১৯% হারে বোনাস পাঠিয়ে দিলেও প্রস্তুতকারক মালিকদের হাত বেয়ে মাত্র ৯% হারে বোনাস পান শ্রমিকরা। ২০১৮ সালে শ্রমিক সংগঠনগুলি মালিক শ্রেণীর এই কারচুপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। তাঁরা তৎকালীন রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক ও রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠির কাছে লিখিত অভিযোগ জানালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অতিরিক্ত শ্রমাধ্যক্ষ, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলির ত্রিপাক্ষিক আলোচনার ব্যবস্থা করা হয় কিন্তু মালিকদের সংগঠন বেঙ্গল হোসিয়ারি টেলার অ্যাসোসিয়েশন জানিয়ে দেয় যে একমাত্র ৯.৭৫% হারেই তারা বোনাস দিতে সক্ষম [৭]। মালিকদের এই অনড় অবস্থানের সামনে দাঁড়িয়েও শ্রমিকরা আর্থিক কারচুপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হন।
২০১৭ সালে জিএসটি ব্যবস্থা চালু হওয়ার সময়ে এক হাজার টাকার থেকে দামী জামাকাপড়ে ১২% এবং এর থেকে কম দামের জামাকাপড়ে ৫% হারে জিএসটি ছিল। পরবর্তীতে জিএসটি কাউন্সিলের একটি বৈঠকে ১ হাজার টাকার থেকে কম দামি জামাকাপড় ও হোসিয়ারি সামগ্রীর উপর করের হার বাড়িয়ে ১২% করার কথা ভাবা হয় যার ফলে সারা দেশে রেডিমেড পোশাক ও হোসিয়ারি শিল্প সংকটের মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির ফলে জামাকাপড়ে ২৫% এবং নয়া জিএসটির ফলে আরও ৭% দাম বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বৃহৎ একচেটিয়াদের স্বার্থ রক্ষাকারী জিএসটি ব্যবস্থার কোপে পড়ে সাধারণ গরীব মানুষের জামাকাপড় কেনার ক্ষমতা হ্রাসের ফলে হোসিয়ারি শিল্পের ছোট উৎপাদন ইউনিটগুলোর ব্যবসায় মার খাওয়া এবং বহু শ্রমিকের কাজ হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হয় [৫]। যদিও ২০২২ সালে জিএসটি কাউন্সিল তাদের নিজেদের এই সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার পদক্ষেপ নেয়, তবুও আশঙ্কা থেকেই যায় যে ভবিষ্যতে আবারও এরকম জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কিনা।
লকডাউন চলাকালীন উৎপাদন বন্ধ থাকার অজুহাত দেখিয়ে হোসিয়ারি শিল্পের মালিকরা মাসের পর মাস শ্রমিকদের মজুরী বন্ধ রেখেছিল। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন শ্রম দপ্তরে নালিশ জানালেও কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়নি রাজ্য সরকার [৪]। ডিজ্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৫ এবং এপিডেমিক ডিজিজ অ্যাক্ট ১৮৯৭ অনুযায়ী মজুরী পাওয়ার অধিকার থাকলেও লকডাউনের সময়ে সেই মজুরী থেকে বঞ্চিত হয়ে অনেক শ্রমিককে সব্জি ফল ইত্যাদি বেচতে বসতে হয়েছে। এই সময়ে নিটিং, থ্রেডিং এবং ডাইয়িং ইউনিটের শ্রমিকদের মজুরী থেকে বঞ্চিত করেছে ডলার, রূপা, লাক্স, রাজু, কোঠারী এবং পি থ্রি। আবার একই সময়ে এরা সংবাদমাধ্যমে নিজেদের ব্র্যান্ডের ব্যয়বহুল প্রচার চালাতে কার্পণ্য করেনি [৪]।
পিস প্রতি মজুরীর ভিত্তিতে কন্ট্র্যাক্ট ব্যবস্থার প্রসার সামগ্রিকভাবে হোসিয়ারি শিল্পে ব্যাপক হারে অসংগঠিত শ্রমিকের বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে। তাঁদের নেই কোনও অধিকার, নেই কোনও সামাজিক সুরক্ষা, নেই কোনও নিয়োগপত্র আর মালিকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই ছাঁটাই! যেখানে ট্রেড ইউনিয়ন আছে, সেখানে শ্রমিকদের উপর এরকম জুলুমবাজি মালিক পক্ষ অতটা করতে না পারলেও ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের ব্যাপ্তির সীমাবদ্ধতার কারণে রাজ্যের বিরাট অংশের হোসিয়ারি শ্রমিকরা মালিকদের দ্বারা নিষ্পেষিত।
কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের সুরক্ষার কোনও বালাই নেই। ২০২১ সালে লাক্সের বিলকান্দা ইউনিটে ৪ জন শ্রমিক অগ্নি দগ্ধ হয়ে মারা গেলে তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করে কম্পানী কর্তৃপক্ষ [৪]। মহিলারা বহু সামাজিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। উৎসবের দিনগুলোতেও তাঁরা সবসময়ে ছুটি পান না। তাঁদের নেই পৃথক শৌচাগার, নেই মাতৃত্বকালীন ভাতা। ব্লিচিং ও ডাইয়িং বিভাগের শ্রমিকদের অনেকে অ্যাজমায় ভোগেন। তাঁদের বিশেষ চিকিৎসা ভাতা প্রয়োজন। অনেক সময়ে শ্রমিকদের মজুরী থেকে পি.এফ বাবদ টাকা কাটা হলেও পি.এফ কর্তৃপক্ষের কাছে মালিকরা তা জমা দেয় না। এই সব কারচুপির মাঝে যেটা লক্ষণীয়, মালিকদের পাহাড় প্রমাণ মুনাফা বেড়েই চলেছে। ২০১৯-২০-র লকডাউনের সময়ের তুলনায় ২০২০-২১ সালে রূপা ও লাক্স-এর মুনাফা প্রায় ১০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পায় [২]!
বর্তমানে ৬টি হোসিয়ারি শ্রমিক ইউনিয়ন ‘যৌথ সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করে লড়াই করছে। নিজেদের যৌথ প্রচারপত্রে তারা দাবী রেখেছেঃ অবিলম্বে কেন্দ্র সরকারকে শ্রমিক বিরোধী শ্রম কোড বাতিল করতে হবে; ২০২৩ সালে রাজ্য সরকার ঘোষিত মাসিক ১০,৭৬৩ টাকা ন্যূনতম মজুরী স্থায়ী, অস্থায়ী, কন্ট্র্যকচুয়াল ও পিস প্রতি মজুরী পাওয়া নিটিং, ব্লিচিং-ডায়িং, কাটিং এবং স্টিচিং বিভাগের সকল শ্রমিককে দিতে হবে; সেলাই বিভাগে মালিকদের সংগঠন টেইলার্স অ্যাসোসিয়েশান ২০১৮-র ন্যূনতম মজুরীর ভিত্তিতে যে রেট চার্ট এখনও বলবত রেখেছে তা পরিবর্তন করতে হবে; ৮ ঘণ্টার বেশি কাজে দ্বিগুণ হারে ওভারটাইমের মজুরী দিতে হবে; মেন্ডিং-এর কাজে যুক্ত শ্রমিকদের চার্টের মজুরী দিতে হবে; কাটিং বিভাগের শ্রমিকদের ডিএ দিতে হবে; ন্যূনতম মজুরীর সাথে উৎপাদন কোটা যুক্ত করা চলবে না; পিএফ সদস্যভুক্ত শ্রমিকদের অবসরের সময়ে ১০,০০০ টাকা পেনশন দিতে হবে; শারদোৎসবের ১৫ দিন আগে সকল বিভাগের শ্রমিকদের ২০% হারে বোনাস দিতে হবে।
কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের শ্রমিক বিরোধী সাঁড়াশী আক্রমণের মাঝেই হোসিয়ারি শিল্পের শ্রমিকরা দেশব্যাপী শ্রমিক ধর্মঘটগুলোতে অংশগ্রহণ করে আসছে। একদিকে রয়েছে কেন্দ্র সরকারের শ্রম কোড আর অন্যদিকে রয়েছে রাজ্য সরকারের বনধ না করতে দেওয়ার হুঙ্কার। কলকাতার শোভাবাজার অঞ্চলে মালিকরা শাসক দলের নেতাদের সাথে ঘোরাঘুরি করে এলাকায় গুন্ডারাজ কায়েম করে শ্রমিক আন্দোলনের টুঁটি টিপে ধরতে চাইছে। আবার রাজ্যের বর্তমান শাসক দল মালিকদের একটি সংগঠনকে নিজ ব্যানারের স্বীকৃতি দিয়ে বসেছে!

হোসিয়ারি ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার হোসিয়ারি শ্রমিকদের একটি অগ্রণী লড়াকু সংগঠন। হোসিয়ারি ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টার-এর হোসিয়ারি শিল্প শ্রমিকদের লড়াই প্রসঙ্গে কয়েকটা পর্যবেক্ষণঃ (১) ২০১২ সালে রাজ্য সরকার শেষ ন্যূনতম মজুরীর বেসিকের সংশোধন করেছিল। তার পর থেকে বারংবার শ্রমিকদের প্রতিবাদের মুখে পরে কেবল ‘কস্ট অফ লিভিং অ্যালাওয়েন্স’ বারিয়ে গেছে রাজ্য সরকার। বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স-এর নিরিখে ন্যূনতম মজুরীর বেসিক পে-র সংশোধন করতে হবে। (২) হোসিয়ারি শিল্পে অসংগঠিতকরণের প্রসার রুখতে সকল শ্রমিককে স্থায়ী নিয়োগপত্র ও সচিত্র পরিচয়পত্র দিতে হবে। মাইনে খাতা, হাজিরা খাতার ব্যবস্থা করতে হবে। (৩) কাটিং ও নিটিং বিভাগে সরকার-মালিক-শ্রমিক ত্রিপাক্ষিক আলোচনার ভিত্তিতে রেট চার্ট সংশোধন করতে হবে। (৪) যেহেতু ‘দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশান কোড ২০২০’ কার্যকর করার ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ব্যবহার হয় এমন পরিসরে ন্যূনতম ২০জন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়, তাই ন্যূনতম মজুরী, অবসরকালীন ভাতা, পিএফ, গ্র্যাচুইটি প্রভৃতি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য হোসিয়ারি ইউনিটগুলো ১০-১২ জন শ্রমিককে দিয়ে কাজ করায়! তাছাড়া মেন্ডিং-এর কাজে নিযুক্ত মহিলা হোসিয়ারি শ্রমিকরা রয়েছেন যারা বাড়িতে বসেই কাজ করেন। তাঁরাও এই নয়া শ্রম আইনে উপেক্ষিত। ফলে অবিলম্বে কেন্দ্র সরকারকে শ্রম কোড বাতিল করতে হবে।
তথ্যসূত্রঃ
১। Department of Micro, Small & Medium Enterprises and Textiles
(MSME & T) – Government of West Bengal
২। West Bengal: Hosiery Worker Unions to Jointly Launch Stir for Minimum Wages, Other Benefits- Sandip Chakraborty; June 30, 2022; newsclick
৩। কিভাবে দিন কাটছে শ্রমিকদের – বিশ্বজিৎ হাজরা; September, 2010; শ্রমিক শক্তি
৪। Hosiery Workers Struggle to Live Without Pay During West Bengal Lockdown – Sandip Chakraborty; June 21, 2021; newsclick
৫। জিএসটি হার বৃদ্ধিতে বস্ত্র শিল্পে ক্ষতির
আশঙ্কা, বাংলায় বেকার হবেন ১ লক্ষ; October 29, 2021, বর্তমান পত্রিকা
৬। West Bengal’s hosiery industry and workers face challenging future after 144-day strike – Indranil Banerjee; July 31, 1984; indiatoday.in
৭। বোনাস অনিশ্চিত হোসিয়ারি শ্রমিকদের; October 13, 2018; আনন্দবাজার পত্রিকা
সুমিত ঘোষ একজন গণআন্দোলনের কর্মী এবং ডিলিজেন্ট পত্রিকা ও সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাক্টিভিজম সংগঠনের সদস্য।

